আমরা তাে সবাই কমবেশি আত্মবিশ্বাসী, তাই না?

এসাে আজ আমরা

প্রত্যেকে আমাদের নিজেদের জীবন থেকে একটি করে গল্প/ঘটনা লিখবাে যেখানে আত্মবিশ্বাসের পরিচয় পাওয়া যায়। আমরা কিন্তু আত্মমর্যাদাবান, আর যারা আত্মমর্যাদাবান তারা অন্যের লেখা দেখে লেখে না। যারা নিজে নিজে লেখার চেষ্টা করে না তারা কিন্তু আত্মমর্যাদাবান নয়। লেখা শেষ করে আমরা সবাই মিলে শান্ত হয়ে বসব। শিক্ষক আমাদের একজন একজন করে নিজের লেখা পড়ে শােনাতে বলবেন। আমরা সবাই শিক্ষকের কথা শুনব এবং সে অনুযায়ী কাজ করব । লেখা শেষে আমরা সবাই মিলে আমাদের লেখাগুলাে দিয়ে খুব সুন্দর দেয়াল পত্রিকা তৈরি করব।

অথবা আমরা আমাদের লেখাগুলাে আলাদা আলাদা পৃষ্ঠায় লিখে সেলাই করে বইও বানাতে পারি । শক্ত কাগজের মলাট বানিয়ে তার উপর গমের নাড়া বা রং দিয়ে বইয়ের নাম লিখতে পারি। বইয়ের নাম দিতে পারি- “আত্মবিশ্বাসী আমরা”। বিশেষ দ্রষ্টব্য: দেয়াল পত্রিকা তৈরি বা বই বানানাের কাজটি আমরা সবাই মিলে শ্রেণিতে বসে করব । বাড়ির কাজ হিসেবে নেব না বা একজন শিক্ষার্থীর উপর দায়িত্ব দিয়ে সবাই নিজেকে অলস প্রমাণ করব না। * এ কাজে তিনটি শ্রেণি কার্যক্রম বরাদ্দ করতে হবে।

অন্য পোস্ট: কারাগারে সুবোধ উপন্যাস আলী আব্দুল্লাহ (পর্ব ৩)

বাদল খুব আত্মবিশ্বাসী। তােমাদের মতাে সেও তার জীবনের একটি ঘটনা বলবে যেখানে আমরা তার আত্মবিশ্বাসের পরিচয় পাব। চলাে আমরা বাদলের মুখ থেকে শুনিআমার নাম বাদল। আমি সপ্তম শ্রেণিতে পড়ি। আজ আমি আমার জীবন থেকে আত্মবিশ্বাসের একটি গল্প বলবাে। একবার আমাদের গ্রামে খুব ঝড় হলাে। ঝড়ে উড়ে গেলাে বড় বড় গাছ। বেশির ভাগ ঘরের চাল উড়ে গেল। এত বড় ঝড় কেউ নাকি আগে দেখে নি। আহত হলে অনেক মানুষ। বড় রাস্তায় গাছ পড়ে বন্ধ হয়ে গেছে যান চলাচল।

কীভাবে এই আহত মানুষের চিকিৎসা হবে, কীভাবে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাবে- তা নিয়ে সবাই চিন্তা করছে। গ্রামের মােড়ে সমবেত হয়ে সবাই পরামর্শ করছেন কীভাবে কী করা যায়। সবার মন খারাপ, আহত লােকদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা প্রয়ােজন কিন্তু কোনাে উপায় বের করা যাচ্ছে না। আমার মাথায় হঠাৎ এক বুদ্ধি এলাে। আমি সবার সামনে দাঁড়িয়ে বললাম- আমি হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তার ডেকে আনতে পারি। আমার খুব ভয় করছিল, সবাই ভাবছিলাে আমি যেতে পারবাে কি না।

অন্য পোস্ট: একজন আধুলি (উপন্যাস) পর্ব ২

আমি বললাম, “আহতদের চিকিৎসা করা দরকার, বড়রা সবাই মিলে যদি তাড়াতাড়ি ঘর-বাড়ি ঠিক না করে তাহলে আবার বৃষ্টি এলে খুব সমস্যা হয়ে যাবে। তাছাড়া আমি খুব ভালাে দৌড়াতে পারি। আপনারা কোনাে চিন্তা করবেন না, শহর তাে মাত্র ৫ কিলােমিটার দূরে। আমি ঠিকই ডাক্তার ডেকে আনতে পারব”। আমার একথা শুনে গ্রামের এক মুরুব্বি আমার হাতে ডাক্তার সাহেবকে লেখা একটি চিঠি ধরিয়ে দিয়ে রওয়ানা হয়ে যেতে বললেন। তিনি সুস্থ সবাইকে গ্রামের ঘর-বাড়ি ও রাস্তা-ঘাট মেরামতের জন্য কাজে লেগে যেতে বললেন। আমি ২ ঘন্টা পর ডাক্তার সাহেব আর তার ব্যাগ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *