banglabbcnews.com

গােল্ডেন A+ পাওয়ার সূত্র

অর্থনীতি আন্তর্জাতিক করোনাভাইরাস খেলা চাকরির খবর বাংলাদেশ বিনোদন রাজনৈতিক শিক্ষা
Spread the love

প্রিয় শিক্ষার্থী, আমি মনে করি, ভাল ফলাফল করতে হলে অবশ্য কিছু ফল নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। আমরা দেখি অনেক শিক্ষার্থী অনেক পড়াশােনা করে কিন্তু সে তুলনায় কাঙ্খিত ফল পায় না। আবার অনেক পড়ে কিন্তু ভাল ফলাফল করে। কী নিয়ম অনুসরণ করলে ভাল নম্বর অe যায়। তা নিম্নে দেয়া হলাে। সময় মত শুরু করা: যে সব ছাত্র Golden A+ পায় তারা বছরের শুরুতে পড়া শুরু করে। এরা সব। সময়ই পড়াশােনা নিয়েই ব্যস্ত থাকে। একাডেমিক বছরের শুরুতে তারা পড়া। শুরু করে। প্রতিদিন ৬/৭ ঘণ্টা পড়শােনা করে। ফলে পরীক্ষার সময় আর বাড়তি টেনশন করতে হয় না। টিচারের আগে পড়া শেষ করা: শিক্ষক ক্লাসে যে Lesson পড়াবে একজন শিক্ষার্থী যদি তার আগে ঐ। Lesson দেখে নেয় তবে ক্লাসের পড়া সহজে বুঝতে পারবে। কারণ পৃথিবীর সব ছাত্রই ক্লাসের পড়া বুঝতে পারবে এমনটা ভাবা উচিত নয়। আগে পড়া থাকলে শিক্ষকের লেকচার সহজেই বুঝতে পারবে এবং প্রয়ােজনীয় প্রশ্ন করতে। সহজ হবে। ক্লাসে মনােযােগী হওয়া আর প্রশ্ন করা:। একজন শিক্ষকের কাজ হলাে তােমাকে পড়ানাে নয়। তার কাজ হলাে যে পড়া। তুমি বুঝ না তা বুঝতে সাহায্য করা। যা বুঝনা তা প্রশ্ন করে শিক্ষকের কাছ । থেকে বুঝে নিতে হবে। তা ছাড়া ক্লাসে তােমাকে মনােযােগ দিয়ে লেকচার শুনতে হবে । শিক্ষক সমস্যা সৃষ্টি করে দিবে ছাত্ররা সমাধান করবে। দ্রুত রিভিশন দেয়া: ক্লাস শেষে দ্রুত রিভিশন দিতে হবে। দিনের পড়া রাতে শােবার আগে রিভিশন। দিয়ে নাও। এটা ৮০ ভাগ মনে রাখার কাজ করবে। ভুল গুলােকে হাইলাইট করা:। তুমি ক্লাস টেষ্টে বা হােমওয়ার্কে বা পরীক্ষায় যখনি কোন ভুল করেছ সেটা। একটা খাতায় তারিখ, সময় দিয়ে তুলে রাখ। এ খাতার নাম দাও ভুল খাতা। প্রতিটি বিষয়ের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক পৃষ্ঠা বরাদ্দ কর। পরীক্ষার আগে ভুল খাত! অবশ্যই দেখে যাও । খেয়াল রাখবে যেন ভুল আর না হয়। ভুল থেকে দ্রুত শিক্ষা গ্রহণ করা: মনে রাখতে হবে ঠেকে শেখাই সব চেয়ে ভাল। তাই যখনি কোন ভুল করেই লক্ষ্য রাখ তা যেন রিপিট না হয় । ভুলতাে হবেই কিন্তু প্রকৃত শিক্ষা খ”। থেকে শিক্ষা লাভ । ভুল হলে বার বার পড়ে বা লিখে ভুল শুধরে নিবে। বেশি বেশি পরীক্ষা দেওয়া: অনেকে পরীক্ষা দিতে চায়না বা পরীক্ষা দিতে উৎসাহ পায়না। পাওয়ার উপায় হলাে বেশি বেশি পরীক্ষা দিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করে নেন বেশি নম্বর পাওয়ার জন্য খাতার মধ্যে বৈচিত্র্য থাকতে হবে। উত্তরের মধ্যেও থাকতে হবে নতুনত্ব। নতুনত্ব থাকলেই খাতাটির ব্যাপারে পরীক্ষকের কৌতুহল জন্মাবে এবং বেশি নম্বর দেয়ার প্রবণতা থাকবে। মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের খাতায় ভাল নম্বর পাওয়ার সকল দিকই বজায় থাকে। পরীক্ষার খাতার ব্যাপারে নিয়ম-কানুন মেনে চলার পাশাপাশি উত্তরও হতে হবে সর্বোৎকৃষ্ট। ১৫। সময়ের সাথে উত্তর লেখার সঙ্গতি বিধানঃ- প্রশ্নোত্তর লেখার সাথে সময়ের সঙ্গতি রাখতে হবে। এজন্য পূর্ব থেকেই সময়কে ভাগ করে পরীক্ষার হলে। আসতে হবে। প্রতিটি উত্তরের জন্য বরাদ্দকৃত সময়ের মধ্যে লেখা শেষ করতে। হবে। পরীক্ষার্থীকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের করণীয়

পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে নির্ধারিত আসনে বসতে হবে। পরীক্ষার কক্ষে বসে যেন কিছু সময় বিশ্রাম পাওয়া যায় বা পথের ক্লান্তি দূর করা যায়। পরীক্ষার প্রথম দিন অন্তত ৪৫ মিনিট পূর্বে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হওয়া উচিত। কেননা আসন বিন্যাস জেনে নিতে অতিরিক্ত কিছু সময়ের প্রয়ােজন হতে পারে। পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার পূর্বে সঙ্গে নিতে হবে প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, একাধিক কলম, পেন্সিল, স্কেল, জ্যামিতি বক্স, সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর, ঘড়ি ও প্রয়ােজনীয় টাকা এগুলাে কোন একটি ট্রান্সপারেন্ট বা স্বচ্ছ ব্যাগে নিতে হবে। কেননা পরীক্ষা কেন্দ্রে অস্বচ্ছ থলি বহন করা নিষিদ্ধ। পরীক্ষার উত্তরপত্র লেখার আগে। প্রথমে নৈব্যত্তিক ও পরে রচনামূলক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে ১০ মিনিট সময়ের ব্যবধান থাকবে। পরীক্ষার হলে খাতা হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে OMR (Optical Mark Code Reader)- এর ফরমে। বা খাতায় শিক্ষাবাের্ড যেসব তথ্য চেয়েছে তা সঠিকভাবে লিখবে এবং বলপয়েন্ট দিয়ে বৃত্তভরাট করবে। তিনটি অংশে বিভক্ত OMR ফরমটির উপরের অংশটি তুমি বল পয়েন্ট দিয়ে পূরণ করবে এবং নিচের অংশ দুটিতে কিছু লিখবে না। পরীক্ষার সাল : প্রথমে ‘এসএসসি/এইচ এসসি পরীক্ষার’ লেখার পাশের বক্সটিতে নির্দিষ্ট সাল লিখতে হবে।

বাের্ড : এবার এই বক্সটির মধ্যে ঢাকা, কুমিলা, রাজশাহী, যশাের, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, দিনাজপুর- এই আটটি বাের্ডের মধ্যে যে বাের্ড থেকে তুমি। পরীক্ষা দেবে, সে বৃত্তটি ভরাট করবে।

প্রশ্নপত্রে যেভাবে প্রশ্নের আউট লাইন (যেমন : ১।/ ১./ (১) বা (ক)/ক)/ ক। ইত্যাদি) দেয়া আছে; নম্বর লেখার সময় সেই আউট লাইন ব্যবহার করা। উচিত। অর্থাৎ ব্রাকেট, ডট, দাড়ি ইত্যাদি যাই থাকুক না কেন তা-ই ব্যবহার করতে হবে। প্রশ্নের নম্বর পূর্ণরূপে লেখা উচিত। ১নং প্র. উ.- এরকম সংক্ষিপ্ত রূপ না লিখে লিখতে হবে- ১। প্রশ্ন (ক) নম্বর প্রশ্নের উত্তর : ইংরেজির ক্ষেত্রে। লেখা উচিত : Ans. to the Ques. No-1 একাধিক উত্তরের ক্ষেত্রে প্রতিবারই মূল নম্বরসহ ঐ প্রশ্নের নম্বর উল্লেখ করতে হবে। নম্বরে কোন কাটাকাটি বা ওভার রাইটিং করা চলবে না।। নম্বর সামান্য কাটাকাটি বা ঘষামাজা হলে তা আড়াআড়িভাবে কেটে আবার নতুনভাবে লিখতে হবে। প্রশ্নের নম্বর লেখার পর প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। অনেক সময় প্রশ্নের নম্বরের সঙ্গে প্রদত্ত উত্তরের মিল থাকে না। এ পরিস্থিতিতে পরীক্ষক প্রশ্নের উত্তরে নম্বর প্রদান নাও করতে পারেন। পরীক্ষা শেষে রিভিশন: পরীক্ষায় রিভিশন ভুল-ত্রুটি সংশােধনের একটি সুবর্ণ সুযােগ তৈরি করে দেয়। ভালাে নম্বর প্রত্যাশী সকল পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা শেষে অন্তত ১৫ মিনিট পূর্বে। সতর্ক ঘণ্টা বাজার আগে সকল প্রশ্নের উত্তর শেষ করতে হবে। এর পর বাকি সময় ধরে রিভিশন দিতে হবে। রিভিশনের সময় খেয়াল করতে হবে- প্রশ্নপত্রের নম্বরের সঙ্গে উত্তরপত্রের নম্বরের মিল আছে কি না? উত্তরপত্রে প্রশ্নের সঙ্গে নির্ভুল এবং পরিচ্ছন্নভাবে লেখা হয়েছে কি না? যতগুলাে প্রশ্নের উত্তর লিখতে বলা হয়েছে তা লেখা হয়েছে কি না? লেখায় বানান নির্ভুল, দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন ইত্যাদি ঠিক মতাে ব্যবহার করা হয়েছে। কি না? প্রত্যেক পৃষ্ঠায় (অতিরিক্ত উত্তরপত্রসহ) মার্জিন দেয়া হয়েছে কি না? অতিরিক্ত উত্তরপত্রের অংশ সঠিকভাবে পূরণ হয়েছে কি না? এসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

সমাপ্ত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *