bangla bbc news

প্রত্যাশা ও প্রচেষ্টা (টিকটিকির ঘটনা)

অর্থনীতি আন্তর্জাতিক করোনাভাইরাস খেলা চাকরির খবর বাংলাদেশ বিনোদন রাজনৈতিক শিক্ষা
Spread the love

এটা হচ্ছে জাপানে ঘটা এক সত্য কাহিনী। ১০ বছরের পুরােনাে এক বাড়ী। সরানাের জন্য বাড়ীর এক দেয়াল ভাঙ্গার প্রক্রিয়া শুরু হলাে। হঠাৎ শ্রমিকরা। দেখতে পেল যে, দেয়ালের ভেতরের অংশে একটা টিকটিকি ঢুকে রয়েছে। সেই টিকটিকিকে জীবিত অবস্থায় দেখতে পেয়ে সকলে বিস্ময়ে ভরে উঠলেন। বাড়ীওয়ালারাও এই দেখে আশ্চর্য হয়ে উঠলেন। ১০ বছর আগে দেয়ালের সাথে। প্লাস্টারিং করে দেয়া হয়েছে আর আজ ১০ বছর পরেও সে জীবিত রয়েছে-এটা। এক অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ব্যাপার ছিল। সবাই অবাক হয়ে উঠে এই চিন্তা করছিলেন যে, এই ১০ বছর ধরে এই টিকটিকিটা খাবার আর পানি কোথা। থেকে পেয়েছে। কিছুক্ষণ পরে সবার চোখ বিস্ফোরিত হয়ে উঠল যখন তাঁরা। অন্য আরেকটি টিকটিকিকে মুখে খাবার নিয়ে আসতে দেখলেন। দেয়ালের এক। ছােট্ট ফুটোর মাধ্যমে সে প্রথম টিকটিকির মুখে খাবার পৌছে দিল। এই ভেবে সবার শরীরের লােমকুপ খাড়া হয়ে উঠল যে, ১০ বছর ধরে প্রতিদিন। সেই দ্বিতীয় টিকটিকিটা দেয়ালের মধ্যে ফেসে যাওয়া নিজের সাথী টিকটিকিকে। জীবিত রাখার জন্য খাবার নিয়ে আসত। কেবল আশার উপরে ভরসা করে নয়। চেষ্টাও করে খাবার যােগার করে এতগুলাে বছর সাথীকে জীবিত রেখেছিল। এজন্য জীবনে সফল হতে হলে শুধু প্রত্যাশা করলেই হবে না, সাথে সাথে । প্রচেষ্টাও চালাতে হবে।

 

পনের বছর বয়সে বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষক

 

তােমার রয়েছে এক অনন্য ব্রেইন। এই ব্রেইনকে কাজে লাগালে তুমি । তােমার লক্ষ্যে সহজে পৌঁছতে পার। আর এটার সত্যতা প্রমাণ করেছিলেন। আমেরিকার এরন স্টার্ন। তিনি বিশ্বাস করতেন, যদি সঠিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তাহলে ব্রেইনের ক্ষমতাও বাড়ানাে সম্ভব। এ জন্য তিনি বাছাই করেন তাঁর নিজের সদ্যোজাত মেয়ে এডিথকে। তিনি ঠিক করেন, মেয়ের সাথে তিনি কোন শিশুসুলভ ব্যবহার করবেন না। যত জটিল তথ্যই তােক তিনি মেয়ের সাথে শেয়ার করবেন। তিনি এডিথের জন্মের পর থেকেই তার রুমে ক্লাসিক্যাল মিউজিক বাজাতেন। প্রতিদিন একটা নতুন শব্দ ছবির মাধ্যমে শেখাতেন।। এডিথ বুঝতে পারছে কি না তা না জেনেই। মাত্র তিন মাস বয়সেই এডিথ শখ। আর ছবিগুলাে শনাক্ত করতে পারল। এক বছর বয়সেই সে পুরাে বাক্যগঠন। করে কথা বলতে শিখল। ৫ বছর বয়সে তার এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা পড়া শেষ হয়। ৬ বছর বয়সে এডিথ দিনে ৬ টা করে বই পড়ত আর সকালে পড়° নিউ ইয়র্ক টাইমস। ১২ বছর বয়সেই সে কলেজে ভর্তি হয় এবং মাত্র ১৫ বৎ বয়সে মিশিগান ইউনিভার্সিটিতে নিযুক্ত হয়েছিল উচ্চতর গণিতের শিক্ষ। হিসেবে। এটাই তখনকার (১৯৬৭ সালে) সর্বকনিষ্ঠ ভার্সিটি শিক্ষক হওয়ার রেক।

 

প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার

তােমার হাতে oxford dictionary, বাংলা ডিকশনারী, বাংলা উচ্চার। ইংরেজি উচ্চারণ সিডি, অটো সাজেশন ইত্যাদি থাকলে তুমি সহজে। উপকার পেতে পার। Google- Search করে দুনিয়ার সকল তথ্য । পার। বই পড়ার জন্য আইপেড কেনা যেতে পারে। দুনিয়ার সকল তor ডাউন লােড করে দেখতে পার। আমরা প্রযুক্তিতে অনেক পিছিয়ে আছি, বছরের Magazine, পত্রিকা, বিখ্যাত মানুষের বক্তব্য উপদেশ যে । বিষয়ে জানতে চাইলে সবকিছুই জানা সম্ভব। সমগ্র দুনিয়া তােমার হাত মুঠোয়। তুমি ইচ্ছা করলেই সবকিছু এখন সহজে পেতে পার প্রযুক্তির সাহায্যে। কিন্তু আমরা অনেকে প্রযুক্তিতে Addicted হয়ে যায়। Net এ ঢুকে তাকে জিনিস দেখে সময় নষ্ট করি। Technolagy কে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারি না। প্রযুক্তিতে ভাল মন্দ দুটোই আছে। ভাল মন্দ নির্ভর করে। ব্যবহারকারীর উপর। ধর, পানির গ্লাস দিয়ে মদও পান করা যায় আবার দুধ ও পান যায়। কেউ মদ পান করলে গ্লাসের কোন দোষ নেই। গ্লাস গ্লাসই- তা। নির্ভর করে ব্যবহারকারীর উপর। ভাল মন্দ নির্ভর করে দৃষ্টিভঙ্গির উপর । মৌমাছি ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে অপর দিকে মাকড়সা ফুল থেকে বিষ সংগ্রহ। করে।।

বর্তমানে Internet এ কী না পাওয়া যায়। তােমার জানার জন্য সবকিছুই Internet এ আছে। যে কোন প্রয়ােজনীয় জিনিস Internet থেকে। Download করা যায় এবং পড়তে বা জানতে পারা যায়। জানার একটি বিরাট উৎস হলাে Internet. বর্তমানে মােবাইলেও এ সুযােগ আছে। কোথায়। কী ঘটছে সবকিছু Internet এ পাওয়া যায়। নিজেকে আপডেট রাখতে হলে। পত্র পত্রিকা, ম্যাগাজিন এবং Internet ব্যবহার করতে হবে।।

আমাদের ব্রেইন ও কম্পিউটার

ছাত্র জীবনে সাফল্য লাভের জন্যে প্রথমেই প্রয়ােজন হচ্ছে নিজের উপর আস্থা। স্থাপন। নিজের মধ্যে অসীম সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্পর্কে তােমাকে জানতে হবে। আমাদের মনােদৈহিক প্রক্রিয়াকে একটু বুঝতে চেষ্টা করলেই এই আহ ও আত্মবিশ্বাস অনেকগুণ বেড়ে যাবে। নিজের শরীরের কথাই ভাব। এ শতাধিক মাংসপেশী, ১ শতাধিক হাড়, ৭০ থেকে ১০০ ট্রিলিয়ন দেহ কোণ। সেলের সমন্বয়ে গঠিত এই শরীরের প্রতিটি সেলে খাবার পৌছানাের ” রয়েছে শিরা ও ধমনীর ৬০ হাজার মাইল দীর্ঘ পাইপ লাইন। আর তােমাম কোন রকম ক্লান্তি বা প্রতিবাদ ছাড়াই প্রতিদিন এক লক্ষ বার স্পন্দনে ১৬ শত গ্যালনের ও বেশি রক্ত পাম্প করে দেহকে সচল রাখছে। ২ নিজেকে অভাবগ্রস্ত মনে করে থাক, তাহলে এর চেয়ে বড় প্রতি

 

অনুপ্রেরণাদায়ক বই পড়তে হবে

Roll Model ঠিক করতে হবে। অনুকরণ নয় অনুসরন করতে হবে। কোন গুরু বা শিক্ষকের সাথে যােগাযােগ অথবা অনুপ্রেরণামূলক বই পাড়া- তাহলে সব সময় অনুপ্রেরণার মধ্যে থাকতে পারবে।। Roll Model সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তুমি লেখক হতে চাইলে বিখ্যাত সব লেখকের বই পড়তে হবে। খেলােয়াড় হতে চাইলে খেলা দেখতে হবে ।। চলচ্চিত্রের নায়ক হতে চাইলে তাদের সম্পর্কে পড়বে। কবি হতে চাইলে দুনিয়ার সকল কবিতা পড়ে ফেলবে। তুমি যা হতে চাও তাই হতে পারবে । শুধ। দরকার আগ্রহ। একটি উদাহরণ দিচ্ছি- এক লাউয়ের মাঁচায় অনেক লাউ। ধরেছে। মাচার মালিক কচি ছােট একটি লাউকে কাঁচের বােতলে ভরে দিলেন। কিছুদিনের মধ্যে লাউ বড় হয়েছে বটে তবে এটি একটি বােতলের মত আকৃতি ধারণ করেছে। আমাদের ব্রেইন অনুরূপ আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি যেমন হবে আমরাও তেমন হবাে। আমরা যা চিন্তা করি, যা ভাবি, যা কল্পনা করি, তাই বাস্তবায়নের চেষ্টা করি। এ জন্য দৃষ্টি ভঙ্গি বদলালে তুমি বদলে যাবে।

খাবার দাবার ও পানি পানের গুরুত্ব

কথায় বলে- সকালে নাস্তা খাও রাজার হালে, দুপুরের খাবার খাও রাজপুত্রের হালে আর রাতের খাবার খাও গরীবের হালে। সকালে পুষ্টিকর খাবার খেলে সারাদিন শরীর সতেজ থাকে। প্রতিদিন অন্তত একটি ফল খাও। দামী ফলের। দরকার নেই। দেশিয় সস্তা ফল খাও। সিজনাল ফল খেতে পার। এ ফল শরীরের জন্য খুবই উপকারী। পরীক্ষার হলে যাওয়ার পূর্বে অনেকেই দুধ, কলা, ডিম খায় না। এ ধরনের কুসংস্কার অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে। আমাদের জীবনের দুটো জিনিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাহলাে- পানি এবং বাতাস। পানি আমাদের শরীরের সমস্ত জায়গায় পাওয়া যায়। তুমি যদি এমনটা চাও যে, তােমার মস্তিষ্ক ভালােভাবে কাজ করুক, তাহলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান কর। রােজ কম পক্ষে আট থেকে দশ গ্লাস পানি অবশ্যই পান করা উচিত। পানি পান শরীরের তাপ মাত্রা ঠিক রাখে। শরীরের দূষিত পদার্থ প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যায়। যখন পড়তে যাবে তখন পানির বােতল সাথে রাখ। তােমার মস্তিষ্কে ৮৫ শতাংশ পানি থাকে। তাছাড়া উন্মুক্ত মাঠে বুকভরে নিশ্বাস নিতে হবে। এতে প্রয়ােজনীয় অক্সিজেন পাওয়া যাবে। শরীরের ৭৫% পানি আর ২৫% নিরেট পদার্থ । পানির অভাব হলে নিম্নলিখিত সমস্যা হতে পারে। ১. ক্লান্তি অনুভব করা। ২. উত্তেজিত হয়ে উঠা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *