সৃজনশীল পদ্ধতি সৃজনশীল

রাজনৈতিক
Spread the love

প্রশ্নপত্রের ‘ক’ অংশের প্রশ্নটি জ্ঞান দক্ষতার বা জ্ঞানমূলক প্রশ্ন, যার মান ১। এই প্রশ্নটির উত্তর সরাসরি পাঠ্যবই থেকে দিতে হয়। এক বাক্যে বা এক শব্দে ওই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়া সম্ভব। পাঠ্যবইটি ভালভাবে পড়া থাকলে জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুবই সহজ। ‘খ’ অংশটি হচ্ছে চিন্তন দক্ষতার দ্বিতীয় স্তর। অনুধাবন’ বলতে কোনাে কোনাে বিষয়ের অর্থ বােঝার ক্ষমতাকে বােঝায়। অনুধাবন স্তরের প্রশ্নের উত্তর দুটি ভাগে লিখতে হয়। প্রথম ভাগটি জ্ঞানের, দ্বিতয়ি ভাগটি অনুধাবনের। ‘গ’ নং প্রশ্নটি চিন্তন দক্ষতার তৃতীয় স্তন এ প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষার্থী তার অর্জিত জ্ঞান ও অনুধাবনকে কোনাে বিশেষ অবজ্ঞা। পড়ে মজা পাওয়া যাচ্ছেনা, ফলে যা করলে ভাল লাগে, সেই বিষয়ের প্রতি ভাব চলে যায়। দুর্বল ছাত্র মাত্রই অমনােযােগী। তারা পড়াশােনায়। ‘নতা হারিয়ে অনেক পেছনে পড়ে যায়। মনােযােগী হতে পারলে দুর্বল ছাত্রছাত্রীও আশানুরূপ ফল লাভ করতে সক্ষম হবে

মাদকাসক্তি:

কাদের পাল্লায় পড়ে অনেকেই নেশায় জগতে দিকে বেশি ঝুঁকে। এক জরিপে দেখা গেছে, মেধাবী ছাত্ররাও নেশার দিকে ঝুঁকছে। তাতে তাদের জীবন ধ্বংস। হচ্ছে । আলস্য: আলস্য সকল কাজের ব্যাঘাত ঘটায়। আলস্যের শেষ পরিণতি ব্যর্থতা। আজ। পড়ব না কাল পড়ব আবার কাল আসলে বলে পরের দিন পড়ব। এভাবে দিনের। পর দিন চলে যায়। শেষে পরীক্ষা এসে হাজির হয়। তখন সকল পড়া আয়ত্ত করা সম্ভব হয় না। ফলে পরীক্ষার ফলাফলও খারাপ হয়। যে যত বেশি অলস, সে ততবেশি দুর্বল ছাত্র। মেধাবীরা আলস্যকে পাত্তা দেয় না। লজ্জা ও ভয়: ছাত্র-ছাত্রী মাত্রই লজ্জা ও ভয়ের ঊর্ধ্বে থাকবে। এ দুটি বিষয় ভাল ছাত্র হওয়ার পথে বাধা হিসেবে কাজ করে। অনেক ছাত্র-ছাত্রীর কাছে পড়াশােনা একটি ভয়ের ব্যাপার। লজ্জা বেশি থাকলে অনেক কিছু জানা থেকে বঞ্চিত হতে হয়। লজ্জা ও ভয় থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু এগুলাে যদি বেশি পরিমাণে হয় তাহলে তা তােমার লেখাপড়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। সুতরাং লক্ষ্য করবে- ভালাে ছাত্র মাত্রই ভয় ও লজ্জার উধ্বে থাকে।

নিয়মিত ক্লাস করা: নিয়মিত ক্লাস করা ও পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করা ভাল ছাত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট, আগ্রহ: লেখাপড়ায় যদি তােমার আগ্রহ না থাকে, তাহলে এ বিষয়ে তােমাকে ভাল আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে। এটা করা যেতে পারে অনুপ্রেরণা মূলক বই পড়ে । ছাত্রদের সাথে মিশে, শিক্ষকের পরামর্শ নিয়ে। ভাল ছাত্র হলে তুমি জীবনে ৯। কী সুবিধা পাবে তা চোখের সামনে রাখতে হবে। অধ্যবসায় ও ধৈর্য: অধ্যবসায় আর ধৈর্যে আসে সাফল্য। প্রতিভাবানরা বারবার ব্যর্থ হয়েছেন, কিন্তু তাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটেনি। কাজের সাফল্য বেশির ভাগ সময় দেরি করে আসে। তাই কাজ শুরু করার সাথে ধৈর্যও থাকতে হবে। শিক্ষিত অথচ অসফল মানুষে পৃথিবী ভরা । ধৈর্য ছাড়া সাফল্য আসে না। | লেগে থাকা: লেগে থাকা, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মানুষেরাই সফল হন। ছাত্র জীবনে অনুশীলনের বিকল্প নেই। তুমি যদি ধৈর্যসহ কঠোর অধ্যবসায়ের সাথে সময় অতিবাহিত করতে পার, সাফল্য তােমার কাছে ধরা দেবেই। সময়ানুবর্তিতা: কথায় বলে সময়ই অর্থ, সময়ই সাফল্য। হারানাে সময় চিরদিনের জন্য চলে যায়, আর কখনাে ফিরে আসে না। মানুষের সংক্ষিপ্ত জীবনে প্রত্যেকেরই সময়ের মূল্য দেয়া উচিত। তুমি যদি তােমার সময়কে পরিকল্পনা মাফিক কাজে লাগাতে পার, তাহলে তােমার ভাল রেজাল্ট হবেই। আজকের পড়া আজকেই শেষ। করতে হবে।

মেধাবী ছাত্র হওয়ার পথে বাধা। মেধাবী হওয়ার পথে তােমার জন্য যে বাধাগুলাে রয়েছে, সেগুলাে একে একে। অতিক্রম করতে হবে। বাধাগুলাে কী কী, তা জানা যাক। অমনােযােগ: লেখাপড়া ভাল করতে হলে মনােযােগ একটি অপরিহার্য বিষয়। মেধাবী ছাত্র। হওয়ার পেছনে অমনােযােগ বিরাট বাধা হয়ে দাঁড়ায়। নানা কারণে শিক্ষার্থরা। পড়াশােনায় অমনােযােগী হয়। অমনােযােগ একটি মানসিক সমস্যা। এ ক্ষেত্রে। শিক্ষার্থীরা অধ্যয়নরত অবস্থায় বইয়ের প্রতি একাগ্রতা হারিয়ে ফেলে। তালে মনােযােগ চলে যায় বাইরের জগতের প্রতি। এর একটি বড় কারণ হ”। পড়াশােনায় প্রতি অনীহা। যে বিষয়টি পড়া হচ্ছে- তা ভাল লাগছেনা, বিষয়।

পৃথিবীর প্রতিটি শিশুই অপার সম্ভাবনা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। প্রতিটি মানুষ একেকটা অনন্ত সম্ভাবনার নাম। প্রত্যেকের মধ্যে সলতে আছে, মােম আছে, শুধু অগ্নিসংযােগ করে দেওয়ার অপেক্ষায়। আমাদের মধ্যে যে প্রতিভা আছে তা আমাদের ধারণার অতীত। আমাদের ক্ষমতার মাত্র আমরা ১৫/১৬ ভাগ ব্যয় করতে পারি। বাকি ৮৫/৮৪ ভাগ পতিত পড়ে থাকে। আমাদের আত্মবিশ্বাস যত বেশী থাকবে আমরা ততবেশী সফল হবাে। এ কথার সমর্থন পাওয়া যায় ডেভিড শেংকের কথায়। তিনি তার বই “দি জিনিয়াস ইন অল অব আস” এ লিখেছেন- আমাদের সবার মধ্যে আছে প্রতিভা। তিনি বলেন, আমাদের যে কেউ আইনস্টাইন, বিটোভেন, মাইকেল জর্জ হতে পারি। তিনি বলেছেন, আমরা ভালাে করি, কেউ খারাপ করি। এটা আমাদের জিনে লেখা আছে বলে মনে হয় না, আসলে আমাদের সবার জিনেই অনেক কিছু আছে, এখন দরকার ওই জিনটাকে কার্যকর করে তােলা।

তে পারবে হাত তােল?’ অংকগুলাে আগে করা থাকায় এডাম আরও ত তে পেরেছিলেন আর তাই দেখা গেল ক্লাসে মাত্র একজন হাত তুলেছেন। লা এডাম। তারপর বাের্ডে গিয়ে অংকটা করার সাথে সাথে পুরাে না। ততালি। সবাই বিস্মিত । প্রথম দিনই তার নাম হয়ে গেল Math genius। হাততালি আর বন্ধুদের মুগ্ধদৃষ্টি পাওয়ার জন্যে তিনি প্রত্যেক ক্লাসের আগেই হক করে ফেলতেন আর ক্লাসে নিয়মিত বাের্ডে অংক করতেন। তাঁর টিচাররাও রি পারফর্মেন্সে বিস্মিত হয়ে বলে ফেললেন, তুমি আসলেই একজন Math enius। এখন যত কঠিন অংকই হােক, বন্ধুরা এডামের কাছে চলে আসে। রণ, এডাম তা পারবেই। তা হলে, নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছ তুমি যা বিশ্বাস র তা একটা কাল্পনিক ব্যাপার । তােমার কল্পনাকে যদি বদলাতে পার তা হলে চুমিও হয়ে যেতে পার একজন রােলমডেল।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *